Loading…

কিভাবে বুঝবেন, এটা স্কিৎজোফ্রেনিয়া

কি খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা ? ডাক্তারি পরামর্শ

স্বামী স্ত্রী সহবাস করার সময় কিছু নিয়ম কানুন(ভিডিও)

>

স্কিৎজোফ্রেনিয়া। এক জটিল মানসিক রোগ। কোনও ব্যক্তি এই অসুখে আক্রান্ত হলে প্রথমে চট করে বোঝা যায় না। যতদিনে স্কিৎজোফ্রেনিয়ার লক্ষণ স্পষ্ট হয়, চিকিৎসা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়।

ঢাকায় কোটিপতি নারীরা কিভাবে ছেলের ভাড়া করছে(ভিডিও)

Loading...

মিলনের সময় স্ত্রীর বীর্যপাত হলে কিভাবে বুঝবেন?

কিন্তু কেন হয় এই অসুখ? মনোবিদরাও এখনও পর্যন্ত এই রোগের সঠিক কারণ নির্ণয় করতে পারেননি।

 

স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় কেউ আক্রান্ত হলে চোখের সামনে নানা কাল্পনিক দৃশ্য দেখতে পান। সেগুলোকে সত্যি বলে ভাবতে থাকেন। নিজেদের চিন্তা-ভাবনা নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন একজন স্কিৎজোফ্রেনিক। চিন্তা-ভাবনার ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকায় সহজেই ভয় পেয়ে যান তিনি। তার জেরে স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্তরা চট করে অনেক সময় হিংস্র আচরণ করতে থাকেন।

 

স্কিৎজোফ্রেনিয়ার কী কী লক্ষণ?

হ্যালুসিনেশন বা কাল্পনিক দৃশ্য দেখা বা কাল্পনিক কথাবার্তা শুনতে পাওয়া। ডিসইলিউশন বা যে কোনও কিছুর ওপরই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলা প্যারানোইয়া বা সব সময় চক্রান্তের শিকার হওয়ার ভয়।

স্কিৎজোফ্রেনিকদের কথাবার্তায় অনেক সময় কোনও অর্থ থাকে না। নিরন্তন অর্থহীন কথা বলে যান এরা। এমনকি নিজেদের ঘর-বাড়ি বা নিজেদেরও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে রাখার ক্ষমতা হারান স্কিৎজোফ্রেনিকরা।

 

নারী ও পুরুষ সমানভাবে স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হতে পারেন। ১৬ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে এই মানসিক অসুখের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সাধারণত ৪৫ বছরের পর আর কেউ নতুন করে স্কিৎজোফ্রেনিয়ায় আক্রান্ত হন না। পরিবারে কারোর এই মানসিক রোগের ইতিহাস থাকলে পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে এই অসুখ ছড়াতে পারে।

জিনগত কারণ, জীবনে কোনও খারাপ অভিজ্ঞতা, মানসিক ধাক্কা- অনেক কিছুই স্কিৎজোফ্রেনিয়ার কারণ হতে পারে। এই অসুখে আক্রান্তদের মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু নার্ভ কোষ শুকিয়ে যায়। তার ফলেই মস্তিষ্ক অস্বাভাবিক ব্যবহার করতে থাকে।

 

কোনও ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে স্কিৎজোফ্রেনিয়া নির্ণয় করা যায় না। তাই পারিবারিক ইতিহাস ও ব্যবহারের মাধ্যমেই স্কিৎজোফ্রেনিয়া নির্ণয় করতে হয় চিকিৎসকদের।

স্কিৎজোফ্রেনিয়া কখনোই পুরোপুরি সারানো যায় না। সঠিক চিকিৎসায় এর লক্ষণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। একজন স্কিৎজোফ্রেনিককে সারা জীবন চিকিৎসার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ওষুধ তার সঙ্গে কাউন্সেলিং প্রয়োজন। তবে এই ওষুধের বেশ কিছু সাইড এফেক্টস রয়েছে। তাতে দমে না গিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে কিছুটা ফল অবশ্যই মিলবে।

নারী মনে মিলনের ইচ্ছা জাগে যে ৯টি মুহূর্তে(ভিডিও নিউজ)

জেনে একজন নারীর দ্রুত বীর্যপাত ঘটানোর উপায়

Loading...
bdtips © 2015