পুরুষ লিঙ্গের আগা মোটা গোঁড়া চিকন ও বক্রতায় করণীয়

hqdefault আমাদের দেশের অবিবাহিত তরুণ-যুবকরা যে বিষয়টি নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করে সেটা হলো তাদের পেনিস। এ পর্যন্ত যত ফোন কল পেয়েছি তার মধ্যে প্রায় হাজার খানেক হবে যেখানে পেশেন্টরা একটা অভিযোগই আমাদের করেছেন যে তাদের পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এবং এটা নিয়ে তারা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ। তাই আজ ভেবেছি এই বিষয়টা নিয়া লিখব এবং প্রকৃত সত্যটা অবিবাহিত তরুণ সমাজের কাছে তুলে ধরব যেন তার ভবিষ্যতে এটা নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়। পুরুষাঙ্গ নিয়ে আপনার মনে এপর্যন্ত যত প্রকার বদ্ধমূল ধারণা তৈরী হয়েছে সবগুলিকেই মন থেকে মুছে ফেলুন এবং নিচের বিষয় গুলি মনোযোগ দিয়া স্মরণ রাখার চেষ্টা করুন।
পেনিস বা পুরুষাঙ্গ বিষয়ক তথ্যাদি :-

উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষ লিঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য হয়ে থাকে ৪.৭ থেকে  ৬.৩ ইঞ্চি। অনেকের মতে পেনিসের গড় দৈর্ঘ্য ৫.১-৫.৯ ইঞ্চি।
তবে আপনার পেনিস যদি লম্বার সর্বনিম্ন ৪ (চার) ইঞ্চিও হয়ে থাকে তাহলেও আপনার স্ত্রীকে তৃপ্তি দিতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। অনেক বিশেষজ্ঞরা আবার এও বলে থাকেন স্ত্রীকে অরগাজম দিতে মাত্র ৩ ইঞ্চি লম্বা পেনিস হলেই যথেষ্ট।

বড় পেনিস মানেই বেশি আনন্দ, কথাটা ঠিক নয় । আপনার ডিউরেশন কত সেটাই হলো মূল বিষয়। স্বাভাবিক টাইম ৭-১০ মিনিট।

পেনিস কখনই একেবারে সোজা হয়না । একটু বাকা থাকেই ।
পেনিসের গোঁড়া চিকন আগা মোটা এটা কোন সমস্যা নয় । স্কুল জীবন থেকেই রাস্তাঘাটের তথাকথিত হার্বাল, কবিরাজ এবং ভেষজ ডাক্তারদের বিভ্রান্তিকর লেকচার শুনতে শুনতে অনেকের মধ্যেই এ বিষয়ে একটা বদ্ধমূল ভূল ধারণা তৈরি হয়ে আছে ।

কোন যাদুকরী তেল বা মালিশ পেনিস তেমন বড় করতে সক্ষম নয় । এগুলা ভুয়া । তবে পেনিসের স্নায়ুতন্ত্র সতেজ রাখার বা করার জন্য মালিশ বা ম্যাসেজ ব্যবহার করতে পারেন আমরা যেমন শরীরের ত্বক সতেজ রাখার জন্য সরিষার তেল বা অনান্য প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকি।

বেশি বড় পেনিস হলে মেয়েরা আনন্দ পাওয়ার বদলে ব্যাথা পায় । এমনকি সেটা যৌন আতঙ্কেও রুপ নিতে পারে অনেক নারীদের জন্য।

ক্ষুদ্র পেনিস বলতে ২.৭৬ ইঞ্চির চেয়ে ছোট পেনিস বুঝায় । সেক্ষেত্রে যথাযথ চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে।

গোঁড়া চিকন আগা মোটা বা বাঁকা পেনিস যৌনমিলনে কোন সমস্যার সৃষ্টি করেনা । এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

পেনিসটাকে নিয়ন্ত্রণ করুন। স্ত্রী ছাড়া অন্য কারো সাথে সহবাস করবেন না।

স্ত্রী ছাড়াই পেনিস শক্ত এবং দৃঢ হয়ে যায় এমন কোনো কাজ যেমন: বেগানা নারীর দিকে তাকানো, অশ্লীল সাহিত্য পড়া, কম্পিউটার বা মোবাইলে খারাপ কিছু দেখা থেকে বিরত থাকুন।
৪০ দিনের মধ্য পুরুষাঙ্গের গোড়ার চুল কাটুন।
আপনার যৌন স্বাস্থের  দিকে নজর দিন। এটাও আপনার শরীরেরই অংশ। নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করুন। কারণ পুরুষরা দৈনন্দিন খাবার দাবার থেকেই তাদের যৌন শক্তি লাভ করে থাকে।
যৌন সমস্যার ব্যাপারে ভুল করেও কখনো অবহেলা করবেন না। যে কোনো যৌন সমস্যায় কোনো প্রকার সংকোচ না করে তাত্ক্ষণিক ভাবে অভিজ্ঞ একজন হোমিও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ অল্প দিনের হোমিও চিকিত্সাতেই আপনার সকল প্রকার যৌন সমস্যা মূল থেকে নির্মূল হয়ে যাবে। তার জন্য ক্ষতিকর ও উত্তেজক হার্বালের মত বার বার আপনাকে ঔষধ খেয়ে যেতে হবে না।

আশা করি কিছুটা হলেও আপনারা বুঝতে পেরেছেন। পেনিস নিয়ে অযথা চিন্তা করে করে সময় নষ্ট করার কোন প্রয়োজন নেই। জগতে চিন্তা করার আরো অনেক বিষয় রয়েছে। ফুটপাতের ভুয়া হার্বাল বা ভেষজ নামধারী ডাক্তারদের কথার বিভ্রান্ত হবেন না। আপনার কাজে মনোনিবেশ করুন। আপনার কেরিয়ার নিয়ে ভাবুন। আর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোন সমস্যায়  আপনার হোমিওপ্যাথের সাথে পরামর্শ করুন। সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন এবং সুখী আনন্দময় যৌন জীবন উপভোগ করুন। ধন্যবাদ।

Updated: March 16, 2016 — 8:12 pm

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bdtips © 2015